Category

Articles

Category

ঢাকা থেকে রংপুরের দূরত্ব প্রায় ৩৩৫ কিলোমিটার। সড়ক বা রেল পথে পৌঁছাতে সময় লাগে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা (কখনো কখনো তার থেকেও বেশি)। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলাটিকে বৃহত্তর বঙ্গ প্লাবন ভূমির অংশ মনে করা হয়। ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই জেলাটি দেশের বহু জেলা থেকে একদমই আলাদা। বন্যায় রংপুরের বেশ কিছু অঞ্চল প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হয়, বিশেষ করে নীলফামারী ও কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী চরগুলো। বিগত বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণটা পূর্বের তুলনায় বেশি ছিল এবং আমাদের রংপুর যাত্রাটা শুরু…

একটি অলস বিকেল কিংবা সপ্তাহজুড়ে ব্যস্ততার এক ফাঁকে বুক ভরে প্রশান্তির স্বাদ নিতে কে না চায়? নাগরিক কোলাহল, অসহ্য যানজটের করাল থাবা থেকে আত্মাকে খোলা আকাশের নীল রঙের আলতো ছোঁয়া দিতে পারলে দাবানলে জ্বলতে থাকা মন যেন শান্ত হয়। খোলা প্রান্তর, মাথার উপরে সীমাহীন আকাশ, নদীর পাড়ে জেগে ওঠা চর, সবুজ প্রকৃতি, নদীতে বয়ে চলা পাল তোলা নৌকা, উজান গাঙে মাঝির ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি গান সত্যিই একটি বিকেল কিংবা সন্ধ্যাকে রোমাঞ্চকর ও স্মৃতিমধুর করে তুলতে পারে।…

বাড়ি চাঁদপুর হবার সুবাদে প্রায়শই নর্থব্রুক রোড ধরে সদরঘাট যাওয়া হয়। যাওয়ার পথে একটা লাল বাড়ি চোখে পড়তো সবসময়ই। মনে প্রশ্নও জেগেছিল, এটা কার বাড়ি? কিন্তু কৌতূহল মেটানোর জন্য ভিতরে ঢুকে দেখা হয়নি। তারপর এই সেদিন ঐতিহ্যবাহী লালকুঠি দেখার জন্য রিকশায় চেপে বসেছিলাম। রিকশাওয়ালা যখন সেই পরিচিত লালবাড়িটার সামনে নামিয়ে দিয়েছিল, তখন নিজের বোকামি দেখে হেসে ফেলেছি। ফরাশগঞ্জে অবস্থিত লালকুঠি ঢাকার অন্যতম প্রাচীন ও সৌন্দর্যময় স্থাপত্য নিদর্শন। দালানটি লাল রঙের হওয়ায় এটি লালকুঠি নামে পরিচিত।…

সবুজ শ্যামল বাংলার অপরূপ রুপের অধিকারী জেলা রাঙামাটি। পাহাড়ের সবুজ আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে চোখ জুড়ানোর জন্য অনবদ্য এই রুপসী জেলা। এখানে পাহাড়ের পরতে পরতে যেন স্বর্গ সুখের অনিন্দ্য ছোঁয়া লুকিয়ে আছে। প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকরা প্রতি বছর এখানে ভিড় জমায় প্রকৃতির নৈসর্গিক রূপ দেখতে। রাঙামাটি জেলার সাজেক ভ্যালি, শুভলং ঝর্ণা, ধুপপানি ঝর্ণা দেখলে মনে হয় কোনো এক দক্ষ চিত্রশিল্পী যেন মনের মাধুরী মিশিয়ে অপরুপ সুন্দর এই স্থানগুলো তাঁর নিপুণ কালির আঁচড়ে এঁকেছেন। সত্যিই মনোমুগ্ধকর জায়গা এই…

হাওড়, বিল, চর ও দ্বীপের দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়নি এমন কাউকে পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। রুপ-রঙ মিশ্রিত বাংলার প্রতিটি জেলা নিজ সৌন্দর্যে অম্লান, মহীয়ান। প্রাকৃতিক নৈসর্গ্যে ঘেরা এই বাংলার মাটির বুকে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন দ্বীপ। ভোলা জেলার মনপুরা দ্বীপ, নোয়াখালির নিঝুম দ্বীপ, কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়া দ্বীপ স্ব স্ব বৈশিষ্ট্যে অমলিন। দ্বীপগুলোর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপরিসীম। প্রতিটি দ্বীপের রয়েছে নিজস্ব কিছু কথা, নয়নাভিরাম দৃশ্য ও পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়ার অপরিসীম ক্ষমতা। এই…

বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি বলা হয়। এই দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অপার সৌন্দর্যের আধার। শুধু চোখ মেলে দেখতে হয় সৌন্দর্যের অপার এই লীলাভূমিকে।নাপিত্তাছড়া ট্রেইল এমনই এক সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে বসে আছে আপনার জন্য। হাতে একদিন সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন নাপিত্তাছড়া থেকে।সবুজে ঘেরা বান্দরিখুম; ছবিঃ সাইমুন ইসলামএই ট্রেইল মূলত ঝর্ণা ও ঝিরির। ট্রেইলে আছে সুন্দর ঝর্ণা, ক্যাসকেড আর খুম। একটু হাঁটা হাঁটির অভ্যাস থাকলে যে কেউ যেতে পারে একদিনের এই সুন্দর ট্রেইলে।…

ক্লাস শেষে হলে এসে খাবারদাবার খেয়ে একটি ভাত ঘুম সেরে নিলাম। উঠতে উঠতে বিকেল হয়ে এলো। ফোনটা হাতে নিয়ে ফেসবুকে ঢুকতেই চমকে উঠলাম, আমার এক ব্যাচ মেট একটি ছবি দিয়েছে। মহাস্থানগড়ের সামনে লাল ইটের প্রকাণ্ড দেয়ালের সামনে হেলান দেওয়া- ক্যাপশনে লেখা, হঠাৎ ঝটিকা ভ্রমণ। আমার চোখ কপালে উঠলো। আরে ওকে তো আজই ক্লাসে দেখলাম, আমার পাশেই বসেছিল। তাহলে আজকেই কীভাবে মহাস্থানগড়ে গেলো?পরেরদিন কলেজে যেতেই দেখি বান্দা হাজির। আমি ওকে ক্যাঁক করে ধরলাম। “এই কাহিনী কী…

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অনুকরণ করে খুলনায় নির্মাণ করা হয়েছে শহীদ হাদিস পার্ক। ভাষা শহীদ শেখ হাদিসুর রহমান বাবুর নামানুসারে এই পার্কের নামকরণ করা হয়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে হাদিসুর রহমান শহীদ হন। শহীদ হাদিস পার্ক খুলনা শহরের বাবুখানা রোড, বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখার পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত। হাদিস পার্কে রয়েছে শহীদ মিনার, পানির ফোয়ারা, বিশাল লেক ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। এই পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে খুলনা শহরকে এক ঝলকে দেখে নেয়া যায়।ছবিসূত্রঃ panoramio.comশহীদ হাদিস পার্কটি পূর্বে…

মেঘালয়ের ডাউকির ছোট্ট গ্রাম সোনেংপেডেং। অখ্যাত এই গ্রামটিই হয়ে উঠেছে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কী আছে ছোট্ট এই গ্রামে? যার জন্য দূর-দুরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছে এই গ্রামে। প্রথম ছবিটা দেখি পানির নীচের, দেখেই মুগ্ধ! এত সুন্দর। বাকি ছবিগুলোর সাথে জাফলংয়ের অনেক মিল আছে। ডাউকি হয়ে ভিসা করেছিলাম, শিলং যাবার জন্য। গত জুলাইতে ঘুরে আসি শিলং, ভিসার মেয়াদ এখনও কয়েকমাস বাকি। এদিকে নাফিজ ভাই ঘোষণা দিয়ে দিলেন মাত্র ৩,৫০০ টাকায় ঘুরে আসা সম্ভব। ভিসা যেহেতু করা…

সারি বেঁধে অবতরণ-ছবি লেখকঅন্নপূর্ণা থেকে ফেরার সময় দেখেছিলাম সারাংকোটে চলছে প্যারাগ্লাইডিং। আমাদেরও বুকিং দিয়ে রাখা হয়েছিল প্যারাগ্লাইডিংয়ের। পোখারার রাস্তায় রাস্তায় রয়েছে বুকিং সেন্টার। খরচ একটু বেশিই, ছবি ভিডিও সহ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮,০০০ টাকা পড়ে। আমারা প্যারাগ্লাইডিং করেছিলাম হাই ফ্লায়ার প্যারাগ্লাইডিংয়ের সাথে। লেক টাওয়ার হোটেল থেকে কয়েক মিনিটের দূরত্ব। ওদের অফিসে পৌঁছানোর পর প্রথমেই একটা ফর্ম ফিলাপ করতে দিল, ডিসক্লেইমার টাইপ, দুর্ঘটনা ঘটলে সেটা থেকে দায়মুক্তি টাইপ বিষয়। ঘাবড়ানোর কিছু নেই, মারাত্মক প্রফেশনাল ওরা।পর্বতের উপরে…