ছোট নদী ঢেউফা বর্ষাকালে কানায় কানায় ভরে ওঠে। কিন্তু দিনের শেষে ভাটা পড়ে। শুকিয়ে যায় এ নদীর পানি। তবে খরস্রোতা এ নদীর পানির গতি কখনোই কমে না। সারা বছরই হেঁটে পার হওয়া যায়। ক’বছর ধরে এ নদীর দু’পাশে দুটি ব্রীজ নির্মিত হওয়ায় এখন আর নদীতে নামতে হয় না। ঢেউফার বুক জুড়ে বিশাল বালুচর। নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য শহরে নিয়ে যাচ্ছে সেই বালি। ঢেউফার এই বালুচর যেন আদিবাসীদের গ্রাম বাবেলাকোনার কুল ঘেষাঁ বিকল্প সমুদ্র সৈকত।

ঢেউফার পাশেই বিশাল উঁচু টিলা রাজার পাহাড় মাথা উঁচিয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে। গারো পাহাড়ের যতগুলো পাহাড় রয়েছে তার মধ্যে রাজার পাহাড়ের উচ্চতা সবচেয়ে বেশি। নদী আর পাহাড়ের সৌন্দর্য মিলেমিশে একাকার হওয়ায় রাজার পাহাড় যেন ঐশ্বরিক স্বপ্নপুরি। ঢেউফা নদীর দু’পাশে সবুজ গাছে আচ্ছাদিত অসংখ্য উঁচু-নিচু পাহাড়। হবেই বা না কেন? একটি পাহাড় মানেই একটি ঘন অরণ্য। যদি না সেটা রুক্ষ শিলায় গঠিত না হয়। রাজার পাহাড়ের উপরিভাগটাতেও ঘন অরণ্য।

গুগলে কিছু ছবি দেখেই শেরপুরের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। শিহানকে বলছিলাম, এবারের ছুটিতে কিন্তু শেরপুরেই যাব। তাই-ই ঠিক হলো। সকাল নয়টায় আমরা চারজন শেরপুর যাওয়ার জন্য ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর থেকে সরকার বাসে চেপে বসলাম। যেহেতু শুক্র-শনি দুইদিন বন্ধ, প্রচণ্ড ভিড়, সেই সাথে বাসও নেই তেমন। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর শ্রীবর্দী যাওয়ার জন্য সরকার বাস পাওয়া গেল। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা।

শাল গাছের বাগান। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

ভালুকা থেকে বেশ অনেকটা দূরে শ্রীবর্দী। সীমান্তবর্তী এই উপজেলাটির অবস্থান গারো পাহাড়ের পাদদেশে। প্রায় সোয়া তিন ঘন্টা লাগলো শ্রীবর্দি পৌঁছাতে। শেরপুরে রাস্তার দুই পাশে প্রচুর শিমুল তুলো গাছ দেখলাম। এখনো গাঢ় লাল রঙের শিমুল ফুলে গাছ ভর্তি। আমার বাসার কাছে একটা শিমুল গাছ আছে। ওটার ফুল ঝরে গিয়েছে সেই কবেই! অথচ শেরপুরের শিমুলতলী এখনো লাল গালিচায় ছেয়ে যায়নি। গালিচার উপকরণগুলো এখনো গাছেই বহাল তবিয়তে টিকে আছে। তার মানে শেরপুরে শীতকাল যায় দেরিতে। আমরাও একটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা আবহাওয়াই পেয়েছি।

সরকার বাসের কন্টাক্টর লোকটা বেশ সাহায্য করলেন। উনি বললেন, যেহেতু আমরা রাজার পাহাড় যাব, শ্রীবর্দী না নেমে বিলবোর্ড নামলে অটো/ভ্যান ভাড়া অনেক কমে যাবে। সত্যিই তাই। শ্রীবর্দী থেকে বাসে বিলবোর্ড পর্যন্ত আসতে বিশ মিনিটের মতো লাগলো। বিলবোর্ড থেকে ভ্যানে চড়লাম। ভ্যানের পিছনে বসে গ্রামের দুইধারের সৌন্দর্য দেখতে দেখতে যাচ্ছি। মেঠোপথে সূর্যমামার খাড়া রশ্মি গাছের ডালপাতায় বাঁধা পেয়ে আশ্চর্য সুন্দর এক নকশা তৈরি করেছে। ভ্যানওয়ালা আমাদের চুকচুকি গ্রামের একটা সাঁকোর সামনে নামিয়ে দিলো। সামনে আর ভ্যান চলার উপযোগী রাস্তা নেই। ভ্যান ভাড়া নিলো ৫০ টাকা। রাজার পাহাড় যাওয়ার জন্য এরপর পা-ই ভরসা।

যে জলাশয়ের উপর সেতুটা দাঁড়িয়ে আছে, তার মেটে রঙের ঘোলা পানিতে প্রায় শ’খানেক দেশি হাঁস ভেসে বেড়াচ্ছে, ডানা ঝাপটাচ্ছে, জলকেলি করছে। এক সঙ্গে এত হাঁস দেখে অবাক লাগলো। এখানে হাঁসের ফার্ম আছে নাকি?

বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিতে গবাদিপশু চড়ছে। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

হাঁটতে হাঁটতেই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পেলাম। বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড থেকেই গ্রামের নামটা জানতে পেরেছি। গ্রামের নাম যেমন অদ্ভুত, তেমনি অদ্ভুত এর ডাকঘরের নাম! মাটিফাটা ডাকঘর! হাসতে হাসতেই পাহাড়ের দিকে পা বাড়ালাম।

হাঁটছি তো হাঁটছিই। ভ্যান থেকে নেমে রাজার পাহাড় যত কাছে মনে হয়েছিল, তত কাছে নয়। দূর থেকে সবুজাভ একটা উঁচুভূমিকে লক্ষ রেখে হাঁটছিলাম। জায়গাটার কাছাকাছি আসতেই বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। পাহাড় কই? এ তো ঘরবাড়ি! পায়ে পায়ে আরেকটু সামনে এগিয়ে দেখি না, আছে পাহাড়। কিন্তু পাহাড়ে উঠব কোন দিক দিয়ে? পথ তো দেখি না। একটা ছোট ছেলে এগিয়ে আসতেই ওকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘পাহাড়ে কোন দিক দিয়ে ওঠা যাবে?’ ছেলেটা যে রাস্তা দিয়ে এলো, সেই রাস্তার দিকেই আঙুল তুলে দেখিয়ে দিল। আমরা সেদিকে এগিয়ে গেলাম।

রাজার পাহাড়ের পাদদেশে গভীর মমতা আর ভালবাসায় গড়া আদিবাসীদের বর্ণিল জীবনধারা। তার প্রমাণও পেলাম খানিক পরেই।
কী করে পাহাড়ে উঠব, খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শিহান আর রনি ভাই উপরে ওঠার চেষ্টা করতে গেল। আমি আর কেয়া দাঁড়িয়ে রইলাম পাহাড়ের ঢালে। পাশেই ছিমছাম একটা বাড়ি। সাজানোগোছানো উঠোন। উঠোনে বানানো চুলোয় রান্না করছেন এক আদিবাসী নারী। পাহাড়ি ভাষায় হাঁক ছেড়ে জানতে চাইলেন আমরা কোথায় যাব। উত্তর দিলাম, “এখানেই! এই পাহাড় দেখতেই এসেছি। উপরে ওঠার রাস্তা আছে কোনো?”

আঙুল তুলে সামনের একটা জায়গা দেখিয়ে দিল। ধন্যবাদ জানিয়ে ওই রাস্তা ধরতে যাব, তখনই শিহান ফোন করে বলল, “উপরে উঠে এসো। আমি যে পথ দিয়ে এসেছি ওখান দিয়েই আসতে পারবে।”

ঝরা পাতাগুলো সব পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

আমি আর কেয়া সেই পথ ধরেই এগিয়ে গেলাম। প্রায় খাড়াই পাহাড় বেয়ে উপরে উঠে দেখি পাহাড়ের উপরিভাগ বড় বড় গাছে ছাওয়া। কিছু জায়গায় শুকনো পাতা পড়ে আছে, আবার কিছু জায়গায় পাতাগুলোয় আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। পোড়া পাতা দেখেই আঁতকে উঠলাম। এভাবে পাতা পোড়াতে গিয়েই দাবানল লাগতে পারে।

পায়ে হাঁটা একটা পথ এগিয়ে গেছে সামনের দিকে। সেদিকেই পা বাড়ালাম। খানিক পরেই রনি ভাইকে পেলাম। শিহান গেল কই? আরেকটু হেঁটে যেতেই বন শেষ হয়ে গেল। সত্যি বলতে কী, পাহাড়ের কাছে এসে প্রথম দর্শনেই প্রচন্ড হতাশ হয়েছিলাম। একটু কষ্টেসৃষ্টে উপরে উঠে আমার চোখ ছানাবড়া! পাহাড়ের চূড়ায় শতাধিক হেক্টর জমির সমতল বিরান ভূমি। বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিই তো মালভূমি! রাজার পাহাড়টা কি তাহলে মালভূমি? তিন গোয়েন্দার বইয়ে কত পড়েছি মালভূমির কথা। পড়ে পড়ে মনের মধ্যে কেবল এরকমটাই আঁকা হয়েছিল। ভাবিইনি আমার কখনো মালভূমি দেখা হবে। বাংলাদেশে মালভূমি থাকতে পারে, তা আমার ধারণাতেও ছিল না!

পাহাড়ের এত উপরে এমন সমতল জায়গা যেন অবিশ্বাস্য! সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০ ফুঁট উঁচু সমভূমি হলেই তাকে মালভূমি বলে। আচ্ছা, রাজার পাহাড়ের উচ্চতা কত, কেউ কি কখনো নির্ণয় করেছে?

মালভূমি-সদৃশ উচ্চভূমি ঢাল বেয়ে আমরা নামছি। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

পরে জানতে পেরেছি, সীমান্ত সড়কের সমতল থেকে রাজার পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় একশ’ মিটার। তাহলে সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা কত হতে পারে? এ চড়াই পেরিয়ে চূড়ায় পৌঁছাতে হয়। বিস্তীর্ণ এ সমতল ভূমির সিংহভাগ জমিই কর্ণঝোড়া বন বিভাগের অধীনে। এর মধ্যে ১০ একর জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন বলে দাবি করা হয়।

শুনেছি, ১৯৮০ সালে পাগলা দারোগা নামে জনৈক এক ব্যক্তি এ রাজার পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন। তিনি মারা গেলেও তার ছেলে-মেয়েরা এখানেই রয়েছে। তারা এ টিলার এক কোণায় গড়ে তুলেছে কাঁঠাল, লিচু ও কলার বাগান। অপূর্ব সৌন্দর্যমণ্ডিত এ রাজার পাহাড়ের চারদিকে আছে হরেক প্রজাতির গাছগাছালি।

এখান থেকে মেঘালয় যেন আরো কাছে মনে হয়। এর চূড়া সবুজ আর নীলের সংমিশ্রণে যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। যেন আকাশ ছোঁয়া বিশাল পাহাড়ের নৈসর্গিক দৃশ্য।

ঝোল গাঁও। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

পাহাড়ে উঠে একজন বুড়ো লোককে আইলে বসে থাকতে দেখলাম। এগিয়ে উনার কাছে গিয়ে আলাপ জমিয়ে দিলাম। কথায় কথায় উনি বললেন, ক সময় এ পাহাড়ে গারো নৃগোষ্ঠীর এক রাজা রাজত্ব করতেন। টিলার বিস্তৃত সমতল ভূমিতেই ছিল তার বাসভবন ও কাচারী। উপর্যুপরি বুনোহাতির আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে, টিলার সমতল ভূমি রাজার বাড়ি ও কাচারী ধ্বংস হয়ে যায়।

রনি ভাই মানুষটার সাথে ছবি তুলতে চাইলো। কিন্তু কেন যেন কিছুতেই ছবি তুলতে রাজি হলেন না তিনি।
উনার কাছে আমরা ঝোলগাঁও যাওয়ার উপায় জিজ্ঞেস করলাম। আঙুল তুলে একদিকে দেখিয়ে দিয়ে বললেন, ‘একটু সামনেই তো ঝোলগাঁও!’
ধু ধু করা মাঠ পেরিয়ে ঊর্ধ্বমুখী গাছের সারি দাঁড়িয়ে আছে সেদিকে। কোনো রাস্তা চোখে পড়লো না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী করে বুঝবো, কোন দিক দিয়ে যেতে হবে?’ 
‘গেলেই রাস্তা পাইবেন!’
মানুষটাকে ধন্যবাদ জানিয়ে সেদিকে পা বাড়ালাম। সেই সাথে সঙ্গীদের এটাও মনে করিয়ে দিলাম যে, গ্রামের লোকদের ‘একটুখানি’ মানে কিন্তু অনেকটা পথ!

উচ্চভূমিতে চাষ হয় বিভিন্ন ফসল। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

অরণ্যের মতো জায়গাটায় এসে পায়ে চলা পথ পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। এখন আর খাড়াই বেয়ে নামতে হচ্ছে না। মালভূমির মতো জায়গাটি থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে নিচে নেমে যাচ্ছি। কিছুক্ষণ পর পরই দুই পাশের জঙ্গলের গাঢ় সবুজ আর শুকনো ডাল পাতার ফাঁকে ফাঁকে রঙিন ফুল চোখে পড়ছিল। কিছু কিছু পরগাছা ফুলের লতা এমনভাবে আশ্রয়দানকারী গাছটাকে আঁকড়ে ধরেছে যে দেখে মনেই হয় না ওই ফুলের গাছ লতানো, মোটেও বৃক্ষ জাতীয় গাছ নয়।
কিছুদূর গিয়ে থেমে গেলাম। বলা যায় থেমে যেতে বাধ্য হলাম। কারণ এই জায়গাটায় পায়ে চলা পথটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে! এবার কোনদিকে যাব? কোনো লোকজনও তো দেখতে পাচ্ছি না যে, জিজ্ঞেস করবো। নাকি সারাদিন এই পাহাড়ের গোলকধাঁধায় হেঁটেই মরতে হবে? ভয়ের সাথে সাথে কেমন যেন থ্রিলিং একটা অনুভূতি কাজ করছিল।

উপায় বাতলে দিলো শিহান। বললো, ‘ডানপাশের রাস্তাটা দেখ, খুব একটা প্রশস্ত নয়। তারমানে ওখান দিয়ে লোকে খুব বেশি চলাফেরা করে না। আমরা যেহেতু একটা গ্রামের দিকে যাব, বামদিকেরটা দিয়ে এগিয়ে যাওয়াই উচিৎ। ওটা বেশ চওড়া।’

ওর কথায় যুক্তি আছে। বাম পাশের রাস্তা ধরেই এগিয়ে গেলাম। খানিকবাদেই একজন ভ্যানচালককে ভ্যান নিয়ে আসতে দেখলাম আমাদের দিকে। তাকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল, ঠিক রাস্তাতেই আছি। বলে আর দাঁড়ালো না। যদিও আমরা ভেবেছিলাম, বলবে যে, “অনেক দূর! ভ্যানে করেই যেতে হবে!”
যখনই মনে মনে প্রশংসা করছিলাম যে লোকটা জোচ্চোর নয়, তখনই সে ভ্যান ঘুরিয়ে ফিরে এল। জিজ্ঞেস করলো, ‘আপনারা কই যাবেন?’ যাই আর না যাই, আলোচনা করতে তো আর সমস্যা নেই। জানালাম,
‘এখান থেকে আমরা ইকোপার্কে যাব। কিসে করে যাওয়া উচিৎ?’
‘ভ্যানে করেই যেতে হবে।’
‘ভাড়া কত করে পড়বে?’
‘একজনের ৫০ টাকা।’
‘বলেন কী! এত টাকা লাগবে! আমরা ভ্যানে যাব না।’
বলে ঘুরে হাঁটতে লাগলাম। একটু পরেই বসতি পেয়ে গেলাম। পাহাড় কেটে কেটে থাকার উপযোগী জায়গা করে গ্রাম বানানো হয়েছে এখানে। একটা স্কুলও আছে।

ক্ষেতের আইলে বসে ছিলেন একজন কৃষক। সোর্সঃ শিহানুল ইসলাম

আরোও অনেকখানি হেঁটে মেইনরোড পর্যন্ত গেলাম। রাস্তা দিয়ে বাস যাওয়া আসা করছে, তবে এখানটায় থামছে না একদমই। রাস্তার ধারে একটা টঙের দোকান ছিল। দোকানিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কীভাবে যাব?’
সেও উত্তর দিল, ‘ভ্যানে করে যেতে হবে।’
পাহাড়ে দেখা হওয়া ওই ভ্যানচালক মেইনরাস্তায় চলে এসেছে। সে ডেকে বলল, ‘অমুক জায়গা পর্যন্ত চলেন। ওখান থেকে অটোয় করে গজনি যেতে পারবেন। ১০ টাকা করে ভাড়া নেব।’
ভ্যানে করেই ফিরলাম ঝোলগাঁও থেকে।

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে বাসে বা যে কোনো যানবাহনে আসা যায় শেরপুর শহরে। রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াতই সবচেয়ে উত্তম। উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়ক পথে। এখান থেকে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার দূরে শ্রীবর্দির কর্ণঝোরা বাজার। বাস, টেম্পুসহ যে কোনো যানবাহনে যাওয়া যায়। শ্রীবর্দির বিলবোর্ড হয়েও যাওয়া যায় রাজার পাহাড়। সরকার বাসে উঠলে বিলবোর্ড নামিয়ে দেবে। এখান থেকে দশ টাকা ভ্যান ভাড়ায় চুকচুকি গ্রাম। তার একটু দূরেই রাজার পাহাড়।
ফিচার ইমেজ সোর্স: bbartra24.net 

Author

Write A Comment